Skip to main content Scroll Top

বাংলাদেশে GPS Tracker কেনার গাইড ২০২৬

ক্রেতার গাইড ২০২৬

কেনার আগে জেনে নিন — দাম, BTRC অনুমোদন ও মাসিক ফি

বাংলাদেশে গাড়ির GPS ট্র্যাকার কিনতে গেলে কোন প্যাকেজ, কত দাম, কত মাসিক ফি আর কী কী যাচাই করবেন — পুরোটা এক জায়গায়।

সংক্ষেপে উত্তর: বাংলাদেশে একটি ভালো মানের গাড়ির GPS ট্র্যাকারের এককালীন দাম সাধারণত ৳৫,০০০ থেকে ৳১২,০০০, আর মাসিক সার্ভিস ফি ৳৪০০ থেকে ৳৫০০। কেনার আগে চারটি জিনিস অবশ্যই যাচাই করবেন — ডিভাইসটি BTRC অনুমোদিত কি না, মাসিক ফি কত ও কতদিন নির্ধারিত, ওয়ারেন্টি কত বছর, এবং হিস্ট্রি প্লেব্যাক কত দিনের।

বাংলাদেশে GPS ট্র্যাকারের দাম কত?

দাম নির্ভর করে ডিভাইসের ধরন ও ফিচারের ওপর। নিচে Dupno Tracker-এর চলতি প্যাকেজগুলোর এককালীন দাম ও মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি দেওয়া হলো।

প্যাকেজ কার জন্য এককালীন দাম মাসিক ফি
Lite All Package বাজেট, ব্যক্তিগত গাড়ি ও বাইক ৳৪,৯৯১ ৳৪০০
OBD22 Smart GPS প্লাগ অ্যান্ড প্লে, তার কাটা ছাড়া ৳৫,৫০০ ৳৫০০
Standard Package ব্যক্তিগত গাড়ি, রেন্ট-এ-কার, ফ্লিট ৳৬,৯০০ ৳৫০০
Standard Plus 4G, AI ড্রাইভিং স্কোর, সেন্সর সাপোর্ট ৳৯,৫০০ ৳৫০০
LG300 Asset GPS পোর্টেবল, ইনস্টল ছাড়া, ম্যাগনেট বেস ৳১২,০০০ ৳৫০০
Smart AI Dashcam লাইভ ভিডিও, ADAS ও DMS ৳৩২,০০০ ৳১,০০০
Fuel Monitoring System তেল চুরি রোধ, কমার্শিয়াল ফ্লিট ৳৪৫,৫৫০ থেকে B2B কাস্টম

দাম সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে — সর্বশেষ হালনাগাদ দাম ও অফার দেখুন GPS ট্র্যাকার প্রাইস পেজে

কোন GPS ট্র্যাকারটি আপনার জন্য ঠিক?

ব্যক্তিগত গাড়ি বা বাইক

Lite All বা Standard Package যথেষ্ট। রিয়েল-টাইম লোকেশন, জিওফেন্স অ্যালার্ট ও রিমোট ইঞ্জিন কাট-অফ পাবেন।

রেন্ট-এ-কার / ভাড়ার গাড়ি

Standard Package। ৯০ দিনের হিস্ট্রি প্লেব্যাক থাকায় বিরোধ হলে প্রমাণ হাতে থাকে।

ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, ফ্লিট

Standard Plus বা Fuel Monitoring। তেলের খরচই সবচেয়ে বড় খরচ, তাই ফুয়েল সেন্সরই আসল ROI দেয়।

তার কাটা যাবে না

OBD22 সরাসরি OBD পোর্টে বসে, আর LG300 ম্যাগনেট বেসে — দুটোতেই কোনো ওয়্যারিং লাগে না।

সরঞ্জাম, জেনারেটর, কনটেইনার

LG300 Asset GPS — ১০,০০০mAh ব্যাটারিতে ৪৫ দিন পর্যন্ত স্ট্যান্ডবাই।

গণপরিবহন (বাস, মিনিবাস)

BRTA-র নিয়ম মানতে BTRC অনুমোদিত ডিভাইস বাধ্যতামূলক। বিস্তারিত গণপরিবহনে GPS বাধ্যতামূলক নিয়ম

প্যাকেজ তুলনা — কোন প্যাকেজে কী আছে

সংক্ষেপে: বাজেট কম হলে Lite All (৳৪,৯৯১), তার না কেটে লাগাতে চাইলে OBD22 (৳৫,৫০০), ফ্রি ইনস্টলেশন ও ৯০ দিনের হিস্ট্রি চাইলে Standard (৳৬,৯০০), আর ফুয়েল সেন্সর, AI অ্যানালিটিক্স ও ৩৬৫ দিনের হিস্ট্রি লাগলে Standard Plus (৳৯,৫০০)। চারটিতেই BTRC লাইসেন্স ও রিয়েল-টাইম লোকেশন আছে।

ফিচারLite AllStandardStandard Plus (4G)OBD22 (Plug)
এককালীন দাম৳৪,৯৯১৳৬,৯০০৳৯,৫০০৳৫,৫০০
রিয়েল-টাইম লোকেশনআছেআছেআছেআছে
রিমোট ইঞ্জিন কন্ট্রোলআছেআছেআছেনেই
লাইভ ভয়েস মনিটরিংনেইআছেআছেনেই
রুট হিস্ট্রি৩০ দিন৯০ দিন৩৬৫ দিন৩০ দিন
DOPI AI অ্যানালিটিক্সনেইনেইআছেনেই
ফুয়েল সেন্সর সাপোর্টনেইনেইআছেনেই
BTRC লাইসেন্সআছেআছেআছেআছে
রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি১ বছর পর্যন্ত৩ বছর পর্যন্ত৩ বছর পর্যন্ত১ বছর পর্যন্ত
হোম ইনস্টলেশনপেইড (৳৫০০)ফ্রিফ্রিপ্লাগ অ্যান্ড প্লে

ওয়্যার্ড, OBD প্লাগ, না পোর্টেবল — কোনটা নেবেন?

ওয়্যার্ড ট্র্যাকার (Lite All, Standard, Standard Plus) গাড়ির ভিতরে লুকানো জায়গায় বসে, তাই চোর সহজে খুঁজে পায় না। এতেই রিমোট ইঞ্জিন কাট-অফ পাওয়া যায়। ইনস্টলেশনে সাধারণত ৩০–৬০ মিনিট লাগে, এবং Standard ও Standard Plus-এ হোম ইনস্টলেশন ফ্রি।

OBD প্লাগ ট্র্যাকার (OBD22) তাদের জন্য যারা গাড়ির তার কাটাতে চান না, কিন্তু ইঞ্জিন বা ইগনিশন চালু-বন্ধের অবস্থা দেখতে চান। এটি সরাসরি OBD-II পোর্টে লাগে, তাই কয়েক মিনিটেই কাজ শেষ এবং গাড়ি বিক্রি করলে খুলে নতুন গাড়িতে লাগানো যায়। বিনিময়ে রিমোট ইঞ্জিন কাট-অফ ও ভয়েস মনিটরিং থাকে না, আর পোর্ট থেকে খুলে ফেলাও সহজ।

পোর্টেবল বা ম্যাগনেটিক ট্র্যাকার (LG300 Asset GPS, ৳১২,০০০) নিজের ব্যাটারিতে ৪৫ দিন পর্যন্ত চলে এবং গাড়ির সাথে কোনো তারের সংযোগ থাকে না। এখানেই এর সীমা: সংযোগ নেই বলে ইগনিশন বা ইঞ্জিনের অবস্থা এতে দেখা যায় না — শুধু অবস্থান ও চলাচল বোঝা যায়। তাই এটি জেনারেটর, কনটেইনার, কনস্ট্রাকশন সরঞ্জাম বা ভাড়ায় দেওয়া মালামালের জন্য, নিয়মিত চালানো গাড়ির প্রধান ট্র্যাকার হিসেবে নয়।

ইনস্টলেশনের পর প্রথম সপ্তাহে যা করে নেবেন

ডিভাইস বসানোর দিনই কাজ শেষ হয় না — যে সেটআপটুকু বেশিরভাগ মানুষ করেন না, ট্র্যাকারের আসল সুবিধা সেখানেই। প্রথমেই অ্যাপে লগইন করে গাড়ির নাম, ছবি ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বসিয়ে নিন, যাতে একাধিক গাড়ি হলে গুলিয়ে না যায়।

জিওফেন্স ও অ্যালার্ট চালু করুন। বাসা, অফিস বা গ্যারেজের চারপাশে জিওফেন্স এঁকে রাখলে গাড়ি ওই এলাকা ছাড়লেই নোটিফিকেশন আসে। সাথে ওভারস্পিড, হার্ড ব্রেক ও ইগনিশন অন/অফ অ্যালার্ট চালু করে নিন — চুরি বা অপব্যবহার সবচেয়ে আগে এই অ্যালার্টগুলোতেই ধরা পড়ে।

রিমোট ইঞ্জিন কাট-অফ একবার পরীক্ষা করে নিন, তবে গাড়ি থেমে থাকা অবস্থায়। চলন্ত গাড়িতে ইঞ্জিন বন্ধ করা বিপজ্জনক, তাই ফিচারটি কাজ করছে কি না তা নিরাপদ অবস্থায় দেখে নেওয়াই নিয়ম।

ইনভয়েস ও ওয়ারেন্টি ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করুন এবং সাবস্ক্রিপশন নবায়নের তারিখ ফোনে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন। সাবস্ক্রিপশন বন্ধ হলে ডিভাইস কাজ করলেও সার্ভারে ডেটা জমা হয় না, ফলে ঠিক যেদিন দরকার সেদিনই হিস্ট্রি পাওয়া যায় না।

পরিবারের কাউকে বা ফ্লিট ম্যানেজারকে আলাদা অ্যাক্সেস দিয়ে রাখুন। একটিই লগইন সবাই ব্যবহার করলে কে কখন কী দেখল তার হিসাব থাকে না, আর ফোন হারালে পুরো অ্যাক্সেসই ঝুঁকিতে পড়ে।

মাসিক ফি কেন লাগে — টাকাটা আসলে কোথায় যায়

ডিভাইসের দামের পর মাসিক ফি কেন — এটাই সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসা করা প্রশ্ন। কারণ ট্র্যাকিং একটা চলমান সেবা, এককালীন যন্ত্র নয়। ফি-র মধ্যে থাকে সার্ভারের খরচ, ম্যাপের খরচ (Google Maps বিনামূল্যে নয়), লাইসেন্সিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও রক্ষণাবেক্ষণ, নতুন ফিচারের উন্নয়ন, এবং ইনস্টলেশন ও মেরামতের খরচ।

সমাধানভেদে মাসিক ফি ৳৩৫০ থেকে ৳৩,০০০ পর্যন্ত হয় — সাধারণ গাড়ির ট্র্যাকিং প্যাকেজ সবচেয়ে কম, আর AI ড্যাশক্যাম, ফুয়েল সেন্সর বা তাপমাত্রা মনিটরিং-এর মতো ভারী সমাধানে বেশি, কারণ সেগুলোতে ডেটা ও সার্ভারের চাপ অনেক গুণ। এর মধ্যে মেরামতের খরচই সাধারণত সবচেয়ে বেশি — নতুন গাড়িতে গড়ে ৪–৬ মাসে একবার, পুরনো গাড়িতে ৬ মাসে একবার সার্ভিসিং লাগে, গড় খরচ প্রায় ২,০০০ টাকা। মাসিক ফি-র ভিতরেই এই মেরামত, সার্ভার ও ম্যাপের খরচ ধরা থাকে, তাই আলাদা সার্ভিস বিল আসে না।

মাসিক ফি ছাড়া এই সেবা চালানো সম্ভব নয় — সিমের ডেটা, সার্ভার, ম্যাপ ও সার্ভিস টিম প্রতিটিই চলমান খরচ। তাই ফি-হীন প্রস্তাব দেখলে বুঝতে হবে খরচটি কোথাও লুকানো আছে, নয়তো সেবাটি বেশিদিন টিকবে না।

সাবধান থাকুন "লাইফটাইম ফ্রি" দাবিতে। সার্ভার, সিমের ডেটা ও ম্যাপের খরচ কারও জন্যই শূন্য নয়। যে বিক্রেতা মাসিক ফি নেই বলে বিক্রি করেন, তার সেবা সাধারণত এক-দুই বছরের মধ্যেই বন্ধ হয়ে যায় বা ডেটা দেখানো বন্ধ করে দেয় — তখন ডিভাইসটি গাড়িতে থেকেও কোনো কাজে আসে না।

গাড়ি চুরি হলে ধাপে ধাপে কী করবেন

১. অ্যাপে লাইভ লোকেশন দেখুন এবং স্ক্রিনশট নিয়ে রাখুন। রুট হিস্ট্রি থেকে গাড়িটি কোন পথে গেছে তা বের করুন — প্যাকেজভেদে ৩০ থেকে ৩৬৫ দিনের হিস্ট্রি পাওয়া যায়।

২. সাথে সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করুন — নিকটস্থ থানায় জিডি বা মামলা করুন এবং গাড়ির লাইভ লোকেশন তাদের সাথে শেয়ার করুন। উদ্ধারের কাজটি সম্পূর্ণভাবে তাদের; GPS ডেটা তাদের হাতে তুলে দেওয়াই আপনার কাজ। নিজে ধাওয়া করতে যাওয়া বিপজ্জনক এবং আইনগতভাবেও ঠিক নয়।

৩. Dupno হটলাইনে জানান (09642500400)। সাপোর্ট টিম ট্র্যাকিং সহায়তা দিতে পারে এবং পুলিশের চাহিদা অনুযায়ী লোকেশন ও রুট হিস্ট্রির তথ্য দিতে সাহায্য করে।

ফ্লিটের জন্য ROI কীভাবে হিসাব করবেন

একটি গাড়ির জন্য হিসাব সহজ: মাসিক ফি বনাম বাঁচানো জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ। দাম ও প্যাকেজ পেজে থাকা ক্যালকুলেটরে ধরা হয় জ্বালানিতে গড়ে ১৫% এবং রক্ষণাবেক্ষণে ৫% সাশ্রয় — অর্থাৎ মাসে ৩০,০০০ টাকা তেল খরচের একটি গাড়িতে সাশ্রয়ের অঙ্কটি মাসিক ফি-র চেয়ে অনেক বড় হয়।

ফ্লিটে হিসাবটা গুণ হয়ে যায়: ১০টি গাড়ি মানে ১০ গুণ সাশ্রয়, কিন্তু ফি-ও ১০ গুণ। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অন্তত তিন মাসের জ্বালানি বিল ও সার্ভিসিং খরচ হাতে নিয়ে বসুন — অনুমান নয়, নিজের গাড়ির আসল সংখ্যা দিয়ে হিসাব করুন। বিস্তারিত পদ্ধতি আছে ফ্লিট খরচ কমানোর গাইডে

GPS ট্র্যাকার আসলে কীভাবে কাজ করে

ট্র্যাকারের ভিতরে দুইটি আলাদা অংশ থাকে। প্রথমটি GPS রিসিভার — এটি আকাশে থাকা স্যাটেলাইট থেকে সিগন্যাল নেয় এবং নিজের অবস্থান (অক্ষাংশ, দ্রাঘিমাংশ, উচ্চতা ও সময়) হিসাব করে। অবস্থান বের করতে অন্তত চারটি স্যাটেলাইটের সিগন্যাল লাগে; এই কারণেই আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং বা ঘন উঁচু ভবনের মাঝে অবস্থান কিছুটা এদিক-ওদিক দেখাতে পারে।

দ্বিতীয় অংশটি GSM মডিউল — ডিভাইসের ভিতরের সিম দিয়ে ওই অবস্থান সার্ভারে পাঠায়, আর সার্ভার থেকে আপনি অ্যাপ বা ওয়েবে দেখেন। নেটওয়ার্ক দুর্বল জায়গায় ডিভাইস ডেটা নিজের মেমোরিতে জমা রাখে এবং নেটওয়ার্ক ফিরলে একসাথে পাঠিয়ে দেয়, তাই ওই সময়ের রুটও হারায় না।

মূল বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দিলে ডিভাইসের নিজস্ব ব্যাটারি কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যায় — চুরির সময় তার কেটে দিলেও অবস্থান পাওয়া যায়। এই দুইটি অংশ (স্যাটেলাইট থেকে অবস্থান, মোবাইল নেটওয়ার্ক দিয়ে পাঠানো) বোঝা থাকলে বিক্রেতার দাবিগুলো যাচাই করা অনেক সহজ হয়: কভারেজ, ডেটা ফ্রিকোয়েন্সি ও ব্যাকআপ ব্যাটারি — এই তিনটিই আসল প্রশ্ন।

কেনার আগে যে ৮টি বিষয় যাচাই করবেন

  1. BTRC অনুমোদন আছে কি না। অনুমোদনহীন ডিভাইসের সেবা যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে, আর গণপরিবহনের ক্ষেত্রে ফিটনেস সনদই আটকে যাবে।
  2. মাসিক ফি কত ও কী কী অন্তর্ভুক্ত। সিম, ডেটা ও সার্ভার চার্জ আলাদা কি না আগেই জেনে নিন।
  3. ওয়ারেন্টি কত বছর। স্ট্যান্ডার্ড সিরিজে ২ বছর, বাজেট সিরিজে ১ বছর — লিখিতভাবে নিন।
  4. হিস্ট্রি প্লেব্যাক কত দিনের। ৩০, ৯০ নাকি ৩৬৫ দিন — বিরোধ বা তদন্তে এটাই সবচেয়ে কাজে লাগে।
  5. রিমোট ইঞ্জিন কাট-অফ আছে কি না। গাড়ি চুরি হলে এটাই শেষ ভরসা। তবে চলন্ত অবস্থায় ইঞ্জিন বন্ধ করা বিপজ্জনক — নিরাপদ ইমপ্লিমেন্টেশন আছে কি না জেনে নিন।
  6. অ্যাপ ও ওয়েব প্যানেল কেমন। কেনার আগে ডেমো চান। রিপোর্ট PDF/Excel-এ নামানো যায় কি না দেখুন।
  7. ইনস্টলেশন কে করবে, খরচ কত। ফ্রি হোম ইনস্টলেশন আছে কি না নিশ্চিত হোন।
  8. সাপোর্ট কেমন। ডিভাইস অফলাইন হলে কত সময়ে সাড়া পাওয়া যায় — দীর্ঘমেয়াদে এটাই আসল পার্থক্য।

মাসিক ফি ও লুকানো খরচ

অনেক ক্রেতা শুধু ডিভাইসের দাম দেখে সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু তিন বছরের মোট খরচে মাসিক ফি-ই বড় অংশ।

ডিভাইস৳৬,৯০০
+
মাসিক ৳৫০০ × ৩৬ মাস৳১৮,০০০
=
৩ বছরে মোট৳২৪,৯০০

তাই “সস্তা ডিভাইস কিন্তু বেশি মাসিক ফি” — এই ফাঁদটা খেয়াল রাখুন। ফি নির্ধারিত (fixed) নাকি প্রতি বছর বাড়বে, সেটাও লিখিতভাবে জেনে নিন।

GPS ট্র্যাকার ইনস্টল করতে কী কী লাগে?

  1. প্যাকেজ নির্বাচন ও অর্ডারগাড়ির ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী প্যাকেজ ঠিক করুন।
  2. সময় নির্ধারণDupno টিম আপনার সুবিধামতো সময়ে ইনস্টলেশনের জন্য যাবে।
  3. ডিভাইস ফিটিংঅভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান লুকানো জায়গায় ডিভাইস বসান — সাধারণত ৩০–৬০ মিনিট।
  4. অ্যাক্টিভেশনসার্ভারে ডিভাইস রেজিস্টার হয়, গাড়ির তথ্য যুক্ত করা হয়।
  5. অ্যাপ সেটআপ ও হ্যান্ডওভারঅ্যাপে লগইন, জিওফেন্স ও অ্যালার্ট সেট করে ব্যবহার শিখিয়ে দেওয়া হয়।

যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়

  • শুধু দাম দেখে অনুমোদনহীন ডিভাইস কেনা — পরে সার্ভার বন্ধ হলে পুরো টাকাই নষ্ট।
  • মাসিক ফি জিজ্ঞেস না করা, বা “আজীবন ফ্রি” দাবি যাচাই না করা।
  • ওয়ারেন্টি কার্ড বা ইনভয়েস না নেওয়া।
  • হিস্ট্রি কত দিন থাকবে না জেনে কেনা — পরে প্রমাণ দরকার হলে ডেটা থাকে না।
  • ইনস্টলেশনের পর অ্যাপে জিওফেন্স ও অ্যালার্ট সেট না করা — ফিচার থাকলেও কাজে লাগে না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বাংলাদেশে GPS ট্র্যাকারের দাম কত?

Dupno Tracker-এ গাড়ির GPS ট্র্যাকারের এককালীন দাম শুরু ৳৪,৯৯১ থেকে (Lite All Package)। Standard Package ৳৬,৯০০, Standard Plus ৳৯,৫০০, আর পোর্টেবল LG300 Asset GPS ৳১২,০০০। AI ড্যাশক্যাম ৳৩২,০০০।

GPS ট্র্যাকারের মাসিক ফি কত?

মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি সমাধানভেদে ৳৩৫০ থেকে ৳৩,০০০। সাধারণ গাড়ির ট্র্যাকিং প্যাকেজে সবচেয়ে কম, AI ড্যাশক্যামে বেশি, আর ফুয়েল ও তাপমাত্রা মনিটরিং-এর মতো কমার্শিয়াল সল্যুশনে ফি B2B ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। মাসিক ফি ছাড়া সেবা চালানো সম্ভব নয় — সিমের ডেটা, সার্ভার ও ম্যাপ প্রতিটিই চলমান খরচ।

BTRC অনুমোদিত GPS ট্র্যাকার কেন জরুরি?

BTRC অনুমোদন না থাকলে সেবা যেকোনো সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে, আর গণপরিবহনের ক্ষেত্রে BRTA-র নিয়ম অনুযায়ী সচল GPS ছাড়া ফিটনেস সনদ নবায়ন হয় না। Dupno Tracker BTRC অনুমোদিত সেবা দেয়।

GPS ট্র্যাকার ইনস্টল করতে কত সময় লাগে?

সাধারণত ৩০ থেকে ৬০ মিনিট। OBD পোর্টের ট্র্যাকার বা ম্যাগনেট বেসের পোর্টেবল ট্র্যাকার হলে কোনো তার কাটতে হয় না, কয়েক মিনিটেই কাজ শেষ।

ইনস্টলেশন ফি আলাদা দিতে হয়?

Standard Package ও Standard Plus প্যাকেজে ফ্রি হোম ইনস্টলেশন অন্তর্ভুক্ত। অন্য প্যাকেজের ক্ষেত্রে অর্ডারের সময় নিশ্চিত করে নিন।

ট্র্যাকার দিয়ে কি দূর থেকে গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ করা যায়?

হ্যাঁ, অ্যাপ বা SMS দিয়ে রিমোট ইঞ্জিন কাট-অফ করা যায়। নিরাপত্তার জন্য এটি গাড়ি থেমে থাকা অবস্থায় ব্যবহার করা উচিত — চলন্ত গাড়িতে ইঞ্জিন বন্ধ করা বিপজ্জনক।

কত দিনের রুট হিস্ট্রি পাওয়া যায়?

প্যাকেজভেদে ৩০ দিন, ৯০ দিন বা ৩৬৫ দিন পর্যন্ত হিস্ট্রি প্লেব্যাক পাওয়া যায়। Lite All-এ ৩০ দিন, Standard-এ ৯০ দিন এবং Standard Plus-এ ৩৬৫ দিন।

মোটরসাইকেলের জন্য কোন ট্র্যাকার ভালো?

বাইকের জন্য Lite All Package সবচেয়ে উপযুক্ত — কম দাম, কম মাসিক ফি, রিমোট ইঞ্জিন কাট-অফ ও জিওফেন্স অ্যালার্ট সহ।

ওয়ারেন্টি কত বছর?

স্ট্যান্ডার্ড সিরিজের ডিভাইসে ২ বছর এবং বাজেট সিরিজে ১ বছর ওয়ারেন্টি। কেনার সময় ইনভয়েস ও ওয়ারেন্টি ডকুমেন্ট নিয়ে রাখুন।

তার না কেটে GPS ট্র্যাকার লাগানো যায়?

যায়। OBD22 Smart GPS সরাসরি গাড়ির OBD-II পোর্টে লাগে, আর LG300 Asset GPS ম্যাগনেট বেসে বসে ও নিজের ব্যাটারিতে ৪৫ দিন পর্যন্ত চলে — দুটোতেই কোনো তার কাটার দরকার নেই।

কোন প্যাকেজ আপনার গাড়ির জন্য ঠিক?

সরাসরি কথা বলুন — আমাদের টিম গাড়ির ধরন অনুযায়ী পরামর্শ দেবে।

কল করুন ০৯৬৪২৫০০৪০০
দাম ও প্যাকেজ দেখুন

×
🚦 দেশসেরা ডুপনো জিপিএস ট্র্যাকিং সার্ভিসে আপনাকে স্বাগতম। ট্র্যাকিং সেবা সম্পর্কিত বিস্তারিত জানতে আপনার ফোন নাম্বারটি আমাদের সাথে শেয়ার করুন আর ঠিক কখন কল করলে আপনার সুবিধা হবে সেটি জানানোর অনুরোধ করা হল।

📞 সেলস টিমের সাথে কথা বলতে কল 09642500400
📞 হেল্পলাইনের সাহায্যের জন্য কল করুন 09642500400
×

আমরা লাইভ আছি এবং এখন আপনার সঙ্গে আলাপ করতে প্রস্তুত। Know More

Call ☎ 09642500400
Privacy Preferences
When you visit our website, it may store information through your browser from specific services, usually in form of cookies. Here you can change your privacy preferences. Please note that blocking some types of cookies may impact your experience on our website and the services we offer.